Shop
সাকসেস ২.৫ এসসি (Success 2.5 SC)
ডায়াবেন (dayaben 32.5 sc)
ডায়াবেন (dayaben 32.5 sc)
ডায়াবেন (dayaben 32.5 sc) kohinur agro-র একটি উন্নতমানের ব্রড-স্পেকট্রাম, সিস্টেমিক ও প্রতিরোধমূলক ছত্রাকনাশক, যা ফসলের বিভিন্ন ছত্রাকজনিত রোগ দমনে অত্যন্ত কার্যকর। এতে রয়েছে Azoxystrobin 200 g/L + Difenoconazole 125 g/L, যা ডুয়াল অ্যাকশনের মাধ্যমে দ্রুত ও দীর্ঘস্থায়ী সুরক্ষা প্রদান করে।
হাইব্রিড ঢেঁড়স – মহাবীর
হাইব্রিড ঢেঁড়স – মহাবীর (Supreme Seed Limited)
হাইব্রিড ঢেঁড়স – মহাবীর সুপ্রিম সীড লিমিটেডের একটি উন্নতমানের ও উচ্চ ফলনশীল ঢেঁড়স জাত, যা দ্রুত বৃদ্ধি, সমান আকৃতির ফল এবং চমৎকার গুণগত মানের জন্য কৃষকদের মাঝে জনপ্রিয়। এই জাতটি বাংলাদেশের জলবায়ুর সাথে ভালোভাবে খাপ খাইয়ে নেয় এবং তীব্র শীতকাল ব্যতিত সারা বছরই চাষ করা যায় ।
“বিজলি প্লাস 2020 মরিচ(beezly plus 200 morich)”
বিজলি প্লাস 2020 মরিচ (Beezly Plus 2020 Morich) – উচ্চ ফলনশীল ও ঝাল মরিচ জাত! 🌶️
বিজলি প্লাস 2020 মরিচ (Beezly Plus 2020 Morich) একটি উন্নত, দ্রুত বর্ধনশীল মরিচ জাত, যা সারা বিশ্বে কৃষকদের মধ্যে খুবই জনপ্রিয়। এটি বিশেষভাবে তার অতিরিক্ত ঝাল, শক্তিশালী রঙ এবং উচ্চ ফলনশীলতার জন্য পরিচিত। বাজারে চাহিদা বেশি হওয়ায় এটি এক ধরনের লাভজনক ফসল হয়ে উঠেছে।
📆 চাষের উপযুক্ত সময়:
✅ জানুয়ারি - এপ্রিল (গ্রীষ্মকালীন চাষ)
✅ মে - জুলাই (বর্ষাকালীন চাষ)
✅ অক্টোবর - ডিসেম্বর (শীতকালীন চাষ)
🌿 বিজলি প্লাস 2020 মরিচের বৈশিষ্ট্য:
✔ অত্যন্ত ঝাল (SHU 1,000,000+)
✔ দ্রুত বর্ধনশীল এবং উচ্চ ফলনশীল
✔ ফল গা dark ় লাল, মসৃণ ও শক্তিশালী
✔ ফলন শুরু হয় ৮০-৯০ দিনের মধ্যে
✔ রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা ভালো, বিশেষত ভাইরাস ও ছত্রাকজনিত রোগের বিরুদ্ধে
✔ প্রতি গাছে ২৫-৩০টি মরিচ পর্যন্ত হয়
🌱 চাষাবাদ ও পরিচর্যা:
👉 উর্বর, বেলে দোআঁশ মাটিতে ভালো ফলন হয়
👉 ৬.০-৭.০ pH সম্পন্ন মাটি উত্তম
👉 পর্যাপ্ত সূর্যালোক ও নিয়মিত সেচ প্রয়োজন
👉 জৈব সার ও কম্পোস্ট সার প্রয়োগ করলে ফলন বৃদ্ধি পায়
বিজলি প্লাস 2020 মরিচ উচ্চ ঝাল ও সুগন্ধি, যা বাজারে চাহিদাসম্পন্ন এবং লাভজনক একটি ফসল। সঠিক পরিচর্যা ও চাষাবাদে প্রতি হেক্টরে ২৫-৩০ টন পর্যন্ত উৎপাদন সম্ভব! 🌶️
আমেরিকান এনপিকেএস
সাবিরা প্লাস
সাবিরা প্লাস শসা (Sabira Plus Sosa) – আধুনিক প্রযুক্তির উন্নত শসা জাত! 🌱
সাবিরা প্লাস শসা হলো একটি উন্নতমানের শসা জাত, যা আধুনিক কৃষি প্রযুক্তি ও সঠিক পরিচর্যা মেনে চাষ করলে দ্রুত বৃদ্ধি পায় এবং অত্যন্ত উজ্জ্বল, সুস্বাদু ও পুষ্টিকর ফল প্রদান করে। এই শসা জাত কৃষকদের লাভজনক ফলন নিশ্চিত করে এবং বাজারে চাহিদাসম্পন্ন।
চাষাবাদের উপযুক্ত সময়:
সাবিরা প্লাস শসা মূলত ফেব্রুয়ারি থেকে এপ্রিল এবং সেপ্টেম্বর থেকে নভেম্বরের মধ্যে চাষ করা উত্তম। এই সময়গুলিতে মাটির তাপমাত্রা ও আর্দ্রতা শসা গাছের জন্য আদর্শ, ফলে গাছের দ্রুত বৃদ্ধি ও ফলন বৃদ্ধি পায়। উপযুক্ত মাটির pH ৬.০-৭.০ এবং পর্যাপ্ত সূর্যালোক শসা উৎপাদনের অন্যতম মূল চাবিকাঠি।
বৈশিষ্ট্য ও উপকারিতা:
✔ দ্রুত বৃদ্ধি ও উচ্চ ফলন: সঠিক পরিচর্যা ও সার ব্যবস্থাপনায় শসা গাছ দ্রুত বেড়ে উঠে এবং গুণগত ফল দেয়।
✔ মসৃণ, তাজা ও খাওয়ার উপযোগী ফল: শসার ফল সরাসরি খাওয়া যায় অথবা সালাদ, স্যান্ডউইচ ও বিভিন্ন রান্নার কাজে ব্যবহার করা যায়।
✔ পুষ্টিকর: এতে ভিটামিন, খনিজ এবং অ্যান্টিঅক্সিডেন্টের সমৃদ্ধ উৎস রয়েছে, যা শরীরের স্বাস্থ্যবর্ধনে সহায়ক।
✔ রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা: উন্নত জাত হওয়ায় এটি বিভিন্ন ছত্রাক ও ব্যাকটেরিয়া জনিত রোগের বিরুদ্ধে অধিক প্রতিরোধ ক্ষমতা প্রদর্শন করে।
✔ পরিচর্যার সুবিধা: নিয়মিত সেচ, জৈব সার ও কম্পোস্ট ব্যবহারের মাধ্যমে শসার গুণমান এবং পরিমাণ উভয়ই বৃদ্ধি পায়।
SEO কিওয়ার্ড: সাবিরা প্লাস শসা, উন্নত শসা জাত, উচ্চ ফলন শসা, শসা চাষাবাদ, পুষ্টিকর শসা, বাংলাদেশ শসা
সঠিক পরিচর্যা, নিয়মিত সেচ, সার এবং আধুনিক চাষাবাদ পদ্ধতির মাধ্যমে সাবিরা প্লাস শসা থেকে সর্বোচ্চ ফলন অর্জন করা সম্ভব। কৃষি গবেষণা ও প্রযুক্তির সহায়তায় এই জাত আপনার ফসলের গুণগত মান ও আয়ের নতুন দিগন্ত খুলে দেবে, যা আধুনিক কৃষকের জন্য এক আদর্শ পছন্দ।